বৃহস্পতিবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৫৮
শিরোনাম :
বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশালে এক বিএনপি নেতাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মারধর, ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া এবং সঙ্গে থাকা ব্যবসার ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় একজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শরীফ ফিরোজ আহমেদ।

অভিযোগকারী শরীফ ফিরোজ আহমেদ নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ওই ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক এবং সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

অভিযোগে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তি হলেন নগরীর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে আশিক হাওলাদার। ভুক্তভোগীর দাবি, আশিক হাওলাদার বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের অনুসারী।

লিখিত অভিযোগে শরীফ ফিরোজ আহমেদ দাবি করেন, তিনি আগে আফরোজা খানম নাসরিনের সঙ্গে রাজনীতি করলেও বর্তমানে তার সঙ্গে রাজনীতি করেন না। মঙ্গলবার নথুল্লাবাদ বাজার এলাকায় অবস্থানকালে আশিক হাওলাদার তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নেন। পরে একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রেখে তাকে মারধর করা হয়।

ফিরোজ আহমেদের অভিযোগ, একপর্যায়ে তাকে ৩০০ টাকার একটি স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। একই সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যবসার ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সময় আশিক হাওলাদারের আরও প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন লোক অফিসের সামনে উপস্থিত ছিলেন। তারা তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগী।

এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে শরীফ ফিরোজ আহমেদ প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আশিক হাওলাদারের সাথে একাধিকবার ফোন দিলেও তা ব্যর্থ হয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি নেত্রী আফরোজা খানম নাসরিনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: রফিক হোসেন জানান, অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহবায়ক মো: মনিরুজ্জামান খান ফারুক জানান, দলের সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন কর্মকাণ্ড কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।